অনলাইন ব্যবসায় ডেলিভারিই ক্রেতার অভিজ্ঞতার বড় অংশ। দেরি, ভুল ঠিকানা বা পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া একবার ঘটলে ক্রেতা আর ফিরে আসেন না।
বাংলাদেশে পাঠাও, স্টেডফাস্ট, রেডএক্স, পেপারফ্লাই বা সরকারি ডাকসহ বিভিন্ন কুরিয়ার সেবা আছে। কোনটি আপনার জন্য ভালো তা নির্ভর করে আপনার পণ্য ও ক্রেতাদের এলাকার ওপর।
ঢাকার ভেতর, ঢাকার বাইরে ও দূরের জেলার জন্য আলাদা ডেলিভারি চার্জ ও সময় ঠিক করুন, দুই-তিনটি কুরিয়ার তুলনা করুন এবং ক্রেতাকে ট্র্যাকিং নম্বর পাঠান। শর্ত ও চার্জ সবসময় কুরিয়ার কোম্পানির কাছে যাচাই করুন।
কুরিয়ার বেছে নিন
কুরিয়ার তুলনায় দেখুন কোন কোন এলাকায় তারা পৌঁছায়, ক্যাশ অন ডেলিভারি টাকা কত দিনে আপনাকে ফেরত দেয়, ফেরত পণ্যের নিয়ম কী এবং ট্র্যাকিং আছে কি না।
- ঢাকার ভেতরে একই দিন বা পরের দিনের ডেলিভারি আছে কি না।
- জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর সক্ষমতা।
- সংগ্রহ করা টাকা আপনার কাছে আসার সময়সূচি।
- ফেরত পণ্যের চার্জ ও নিয়ম।
ডেলিভারি চার্জ ঠিক করুন
সাধারণত অঞ্চলভিত্তিক সহজ চার্জ ভালো কাজ করে, যেমন ঢাকার ভেতরে একটি, ঢাকার বাইরে আরেকটি। নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি কিনলে ফ্রি ডেলিভারি দিলে ক্রেতারা কার্টে আরও পণ্য যোগ করতে উৎসাহিত হন।
চার্জ ঠিক করার আগে কুরিয়ারের বর্তমান রেট দেখে নিন এবং প্যাকেজিং খরচ হিসাবে ধরুন, না হলে মার্জিন কমে যাবে।
প্যাকেজিং ও ঠিকানা
ভালো প্যাকেজিং ক্ষতি ও ফেরত দুটোই কমায়। ভঙ্গুর জিনিসে বাড়তি সুরক্ষা দিন। চেকআউটে ঠিকানা ফর্মে জেলা, থানা ও ফোন নম্বর আবশ্যক রাখুন, কারণ ভুল ঠিকানাই ব্যর্থ ডেলিভারির বড় কারণ।
- ফোন নম্বর যাচাই করুন, প্রয়োজনে অর্ডার নিশ্চিত করতে কল করুন।
- প্যাকেটের ছবি তুলে রাখুন, বিরোধে কাজে লাগে।
- বিভাগ ও জেলা বেছে নেওয়ার তালিকা রাখুন, হাতে লিখতে না দিয়ে।
ট্র্যাকিং ও যোগাযোগ
পণ্য পাঠানোর পর ক্রেতাকে এসএমএস বা ইমেইলে ট্র্যাকিং নম্বর জানান। ক্রেতা যদি জানেন পণ্য কোথায়, তাহলে বারবার জিজ্ঞেস করেন না। ডেলিভারি ব্যর্থ হলে সাথে সাথে ফোন করে নতুন সময় ঠিক করুন।