নতুন সাইট গুগলে সঙ্গে সঙ্গে জায়গা পায় না, কারণ গুগলকে আগে সেটি খুঁজে বের করতে, যাচাই করতে এবং বিশ্বাস করতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ে প্রথম স্থানের নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না।
সুখবর হলো শুরুর মৌলিক কাজগুলো সহজ এবং আপনি নিজেই করতে পারেন। এই গাইডে সেই কাজগুলোর ক্রম দেওয়া আছে।
নতুন ওয়েবসাইটের এসইও-র ভিত্তি হলো প্রতিটি পেজের স্পষ্ট শিরোনাম, ক্রেতার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কনটেন্ট, দ্রুত মোবাইল সাইট এবং গুগল সার্চ কনসোলে নিবন্ধন। ফল পেতে সময় লাগে, তাই ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা দরকার।
প্রতিটি পেজের একটি উদ্দেশ্য
প্রতিটি পেজ একটিমাত্র বিষয় বা একটি পণ্য নিয়ে হোক। শিরোনামে সেই শব্দটি থাকুক যা আপনার ক্রেতা খোঁজেন, এবং ছোট বিবরণ (মেটা ডিসক্রিপশন) এমনভাবে লিখুন যাতে কেউ ক্লিক করতে চান।
হেডিং যুক্তিসঙ্গত ক্রমে রাখুন: একটি মূল হেডিং এবং তার নিচে উপ-হেডিং। ছবিতে বর্ণনামূলক লেখা (অল্ট টেক্সট) দিন।
গতি ও মোবাইল
বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলে সার্চ করেন, প্রায়ই সীমিত বা ধীর ডেটায়। ভারী ছবি ছোট করুন এবং অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিপ্ট যোগ করবেন না।
নিজের সাইট ফোনে খুলে দেখুন: লেখা পড়ার মতো হোক, বোতাম সহজে চাপা যাক এবং পেজ খুলতে বেশি দেরি না হোক।
- একটিই ডোমেইন ও এইচটিটিপিএস ব্যবহার করুন।
- প্রতিটি পেজের আলাদা, পরিষ্কার ইউআরএল রাখুন।
- ভাঙা লিংক রাখবেন না।
গুগলকে সাইট দেখান
গুগল সার্চ কনসোলে নিজের সাইট যোগ করুন এবং সাইটম্যাপ জমা দিন। সেখানে দেখতে পাবেন কোন পেজ ইনডেক্স হয়েছে এবং মানুষ কোন শব্দে আপনার কাছে পৌঁছেছে।
ব্যবসা কোনো শহরে হলে গুগল বিজনেস প্রোফাইল বানান এবং নাম, ঠিকানা ও ফোন সাইটের সঙ্গে মিলিয়ে রাখুন।
কাজের কনটেন্ট ও লিংক
ক্রেতারা সত্যিই যা জিজ্ঞেস করেন তার উত্তর লিখুন। ছোট, সত্য ও স্থানীয় প্রেক্ষাপটের লেখা প্রচারমূলক ভাষার চেয়ে বেশি কাজে আসে। অন্য সাইট থেকে লিংক কেনার চেষ্টা করবেন না, এতে উল্টো ক্ষতি হতে পারে।
Uttra-তে লিখতে পারেন: “আমার সাইটের প্রতিটি পেজের শিরোনাম ও মেটা ডিসক্রিপশন বাংলায় ভালো করো এবং সাইটম্যাপ বানাও।” ফল প্রিভিউতে দেখে প্রকাশ করুন।