বাংলাদেশের বেশিরভাগ ক্রেতা বাংলায় স্বচ্ছন্দ, কিন্তু প্রযুক্তি, ফ্যাশন বা আমদানি করা পণ্যের ক্রেতাদের অনেকে ইংরেজিতে পড়তে পছন্দ করেন। প্রবাসী ক্রেতাদের জন্যও ইংরেজি সংস্করণ কাজে লাগে।
দুই ভাষার স্টোর মানে সব লেখা দুবার লেখা নয়। কোন অংশ আগে অনুবাদ করবেন এবং কীভাবে গুছিয়ে রাখবেন তা এখানে দেখুন।
বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় স্টোর চালাতে প্রতিটি পেজের জন্য আলাদা ভাষার ঠিকানা রাখুন, পণ্যের বিবরণ ও চেকআউট দুটোই অনুবাদ করুন এবং ভাষা বদলানোর বাটন সবসময় চোখের সামনে রাখুন। যান্ত্রিক অনুবাদ নয়, স্বাভাবিক ভাষায় লিখুন।
কোন অংশ অনুবাদ করবেন
ক্রেতার সিদ্ধান্তের পথ ধরে এগোন: হোম পেজ, পণ্য পেজ, কার্ট, চেকআউট এবং নিশ্চিতকরণ বার্তা। এগুলো দুই ভাষায় না থাকলে ক্রেতা মাঝপথে আটকে যান।
- পণ্যের নাম, বিবরণ, সাইজ ও রঙ।
- চেকআউটের ফর্ম, ত্রুটির বার্তা ও পেমেন্টের লেবেল।
- ডেলিভারি, ফেরত ও গোপনীয়তা নীতি।
- অর্ডার নিশ্চিতকরণ ইমেইল ও এসএমএস।
ঠিকানা ও ভাষা নির্বাচন
প্রতিটি ভাষার জন্য আলাদা ঠিকানা রাখুন, যেমন সাইটের নামের পরে বাংলার জন্য এক পথ ও ইংরেজির জন্য আরেক পথ। এতে সার্চ ইঞ্জিন দুই সংস্করণ আলাদাভাবে বোঝে এবং ক্রেতা নির্দিষ্ট ভাষার লিংক শেয়ার করতে পারেন।
ভাষা বদলানোর বাটন হেডারে রাখুন এবং ক্রেতার পছন্দ মনে রাখুন। ব্রাউজারের ভাষা দেখে প্রথমে সুপারিশ করতে পারেন, জোর করে বদলাবেন না।
বাংলা লেখার বিশেষ বিষয়
বাংলার জন্য ভালো ফন্ট বেছে নিন যা যুক্তাক্ষর সঠিকভাবে দেখায়, যেমন Hind Siliguri, Noto Sans Bengali বা Tiro Bangla। লাইনের উচ্চতা ইংরেজির চেয়ে একটু বেশি রাখুন যাতে বাংলা হরফ ঠাসাঠাসি না লাগে।
- সংখ্যা বাংলা বা ইংরেজি, যেটি রাখবেন সারা সাইটে একই রাখুন।
- টাকার চিহ্ন ও লেখা সঙ্গতিপূর্ণ রাখুন।
- ইংরেজি ব্র্যান্ডের নাম বাংলা বাক্যে ঠিকমতো বসছে কি না দেখুন।
- মোবাইলে দীর্ঘ বাংলা শব্দ যেন বাটন ভেঙে না দেয়।
অনুবাদ গুছিয়ে রাখুন
নতুন পণ্য যোগ করলে দুই ভাষার বিবরণ একসাথে লেখার নিয়ম করুন, নইলে এক ভাষা পিছিয়ে পড়ে। কোন পেজে অনুবাদ বাকি তা নিয়মিত যাচাই করুন। একজন বাংলাভাষীকে দিয়ে পড়িয়ে নিন, কারণ স্বয়ংক্রিয় অনুবাদ প্রায়ই অস্বাভাবিক শোনায়।