দারাজ বা অন্য বড় মার্কেটপ্লেসের মতো সাইট বানানোর স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। প্রযুক্তিগতভাবে এটি সম্ভব, কিন্তু একা একটি দোকানের চেয়ে অনেক বেশি জটিল, কারণ এখানে বিক্রেতা, ক্রেতা ও আপনার তিন পক্ষের মধ্যে টাকা ও দায়িত্ব ভাগ হয়।
বাস্তবসম্মত পথ হলো একটি নির্দিষ্ট শ্রেণি, যেমন হস্তশিল্প বা স্থানীয় খাবার, দিয়ে ছোট করে শুরু করা।
মাল্টি-ভেন্ডর মার্কেটপ্লেসে বিক্রেতারা নিজেদের পণ্য তোলেন আর আপনি কমিশন নেন। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ক্রেতা ও বিক্রেতা দুই পক্ষকেই আনা, তাই ছোট একটি ক্যাটাগরি দিয়ে শুরু করুন এবং পেমেন্ট ভাগ করার নিয়ম আগে ঠিক করুন।
কী কী লাগবে
মার্কেটপ্লেসে অন্তত তিনটি অংশ দরকার: ক্রেতার সাইট, বিক্রেতার ড্যাশবোর্ড এবং আপনার অ্যাডমিন প্যানেল। বিক্রেতা নিজে পণ্য যোগ, স্টক ও অর্ডার দেখতে পারবেন, আর আপনি বিক্রেতা অনুমোদন ও কমিশন নিয়ন্ত্রণ করবেন।
- বিক্রেতার নিবন্ধন ও যাচাই।
- পণ্য যোগ ও সম্পাদনার ড্যাশবোর্ড।
- বিক্রেতাভিত্তিক অর্ডার ও আয়ের হিসাব।
- অ্যাডমিনের অনুমোদন ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা।
টাকা কীভাবে ভাগ হবে
সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হলো পেমেন্ট। সাধারণ উপায় হলো ক্রেতার টাকা প্রথমে আপনার অ্যাকাউন্টে আসবে, ডেলিভারি নিশ্চিত হলে আপনার কমিশন কেটে বাকিটা বিক্রেতাকে বিকাশ বা ব্যাংকে পাঠানো হবে। অন্যের টাকা ধরে রাখার ক্ষেত্রে আইনি ও ব্যাংকিং বিধি থাকতে পারে, তাই আগেই পরামর্শ নিন।
কমিশনের হার, পরিশোধের সময়সূচি ও রিফান্ডে কে কত দায়ী, এসব বিক্রেতার চুক্তিতে লিখিত রাখুন।
বিক্রেতার মান ও আস্থা
নকল বা নিম্নমানের পণ্য এলে পুরো মার্কেটপ্লেসের সুনাম যায়। প্রথম দিকে বিক্রেতাদের হাতে বেছে নিন এবং পরিচয় যাচাই করুন। ক্রেতার রিভিউ ও বিক্রেতার রেটিং দেখান, আর অভিযোগের স্পষ্ট পথ রাখুন।
- বিক্রেতার পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই।
- পণ্যের নিয়ম ও নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকা।
- বিরোধ মেটানোর নিয়ম।
প্রথমে ছোট থেকে শুরু
দশ থেকে বিশজন বিক্রেতা নিয়ে একটি শ্রেণিতে শুরু করুন। ক্রেতা আনতে আগে বিক্রেতার সোশ্যাল মিডিয়া অনুসারীদের সাইটে আনুন। প্রক্রিয়া কাজ করলে তখন নতুন শ্রেণি যোগ করুন।