ভালো রিটার্ন পলিসি বিক্রি কমায় না, বরং বাড়ায়, কারণ ক্রেতা জানেন ভুল হলে কী হবে। আবার অস্পষ্ট পলিসি অভিযোগ ও বিরোধের বড় কারণ।
এই লেখায় একটি ব্যবহারযোগ্য পলিসির কাঠামো পাবেন। এটি আইনি পরামর্শ নয়, আপনার পণ্য ও ক্রেতা সুরক্ষা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনে পেশাদারের পরামর্শ নিন।
সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট ভাষায় লিখুন কত দিনের মধ্যে ফেরত চলবে, কোন পণ্য ফেরত হবে না, ফেরতের খরচ কার এবং টাকা কত দিনে ও কোন মাধ্যমে ফেরত যাবে। পলিসি এমন জায়গায় রাখুন যেখানে ক্রেতা কেনার আগেই দেখতে পান।
মূল বিষয়গুলো ঠিক করুন
লেখার আগে সিদ্ধান্ত নিন আপনি কী মানতে প্রস্তুত। পোশাকে সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে বদল দেওয়া যায়, আর ইলেকট্রনিক্সে ওয়ারেন্টির শর্ত আলাদা হয়।
- ডেলিভারির কত দিনের মধ্যে ফেরত বা বদল চলবে।
- পণ্যের অবস্থা: ব্যবহার না করা, ট্যাগসহ, আসল প্যাকেটে।
- ভুল বা ত্রুটিপূর্ণ পণ্যের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম।
- যে পণ্য ফেরত নেওয়া হয় না, যেমন অন্তর্বাস বা কাস্টম অর্ডার।
প্রক্রিয়া সহজ ও স্পষ্ট করুন
ক্রেতাকে বলুন ফেরত চাইতে কী করতে হবে: কার সাথে যোগাযোগ করবেন, অর্ডার নম্বর ও ছবি পাঠাবেন কি না, এবং পণ্য কোথায় ও কীভাবে পাঠাবেন। ধাপ যত কম, বিরোধ তত কম।
পণ্য ত্রুটিপূর্ণ হলে ফেরতের খরচ সাধারণত বিক্রেতা বহন করেন, আর পছন্দ না হলে কে বহন করবে তা আপনার নীতিতে লিখুন।
টাকা ফেরতের নিয়ম
রিফান্ড কোন মাধ্যমে যাবে এবং কত কর্মদিবস লাগবে তা লিখুন। বিকাশ বা কার্ডে এলে একই মাধ্যমে ফেরত দেওয়া সহজ, আর ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ক্রেতার বিকাশ বা ব্যাংক তথ্য নিতে হতে পারে। চাইলে রিফান্ডের বদলে স্টোর ক্রেডিটের বিকল্পও দিতে পারেন।
কোথায় দেখাবেন
পলিসির আলাদা পেজ বানিয়ে ফুটার, পণ্য পেজ ও চেকআউট থেকে লিংক দিন। চেকআউটে একটি সম্মতির টিক রাখলে পরে বিরোধ হলে আপনার হাতে প্রমাণ থাকে। ভাষা সহজ রাখুন, আইনি জটিল শব্দ এড়ান।