বেশিরভাগ ছোট ব্যবসার জন্য টাকাই যথেষ্ট। কিন্তু প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য উপহার পাঠানো, বিদেশে সেবা বিক্রি বা ফ্রিল্যান্স কাজের মতো ক্ষেত্রে বিদেশি মুদ্রা দরকার হয়।
একাধিক মুদ্রা যোগ করা মানে শুধু দামের পাশে অন্য চিহ্ন বসানো নয়। হার, গেটওয়ের সুবিধা ও আপনার ব্যাংকে টাকা আসার ধরনও ভাবতে হয়।
বাংলাদেশি ক্রেতার জন্য টাকা (BDT) মূল মুদ্রা রাখুন, আর প্রবাসী বা বিদেশি ক্রেতার জন্য ডলারের মতো একটি অতিরিক্ত মুদ্রা যোগ করুন। বিনিময় হার ও গেটওয়ের সাপোর্ট আগে যাচাই করুন, এবং ক্রেতাকে চেকআউটে চূড়ান্ত অঙ্ক দেখান।
আপনার কি সত্যিই দরকার
প্রথমে দেখুন আপনার ভিজিটর ও ক্রেতারা কোন দেশ থেকে আসছেন। বিদেশ থেকে নিয়মিত আসা ভিজিটর বা অর্ডার না থাকলে বাড়তি জটিলতা অপ্রয়োজনীয়।
- অ্যানালিটিক্সে দেশভিত্তিক ভিজিটর দেখুন।
- প্রবাসী ক্রেতারা কার্ডে পরিশোধ করেন কি না।
- আপনি বিদেশে পাঠাতে প্রস্তুত কি না।
দাম দেখানোর দুটি উপায়
প্রথম উপায়ে প্রতিটি মুদ্রার জন্য আপনি নিজে দাম ঠিক করেন, যেমন ৫০০ টাকা ও ৫ ডলার। এতে দাম গোল সংখ্যায় থাকে এবং হারের ওঠানামায় অবাক হতে হয় না। দ্বিতীয় উপায়ে মূল দামকে বিনিময় হারে রূপান্তর করা হয়, যা সহজ কিন্তু হার বদলালে দামও বদলায়।
ছোট ক্যাটালগে হাতে ঠিক করা দামই সাধারণত পরিষ্কার ও নিরাপদ।
গেটওয়ে ও ব্যাংকের দিক
সব গেটওয়ে বিদেশি মুদ্রায় পেমেন্ট নেয় না, আর নিলেও আপনার ব্যাংকে কোন মুদ্রায় ও কী হারে টাকা আসবে তা আলাদা। এই বিষয়গুলো আবেদনের সময়ই প্রদানকারীর কাছ থেকে লিখিতভাবে জেনে নিন।
বাংলাদেশে বিদেশি মুদ্রার লেনদেনে ব্যাংকিং নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে, তাই আপনার ব্যাংক বা পরামর্শকের সাথে কথা বলুন।
ক্রেতার অভিজ্ঞতা
ক্রেতা যেন সাইটের শুরুতেই মুদ্রা বদলাতে পারেন এবং কার্ট ও চেকআউটে একই মুদ্রা দেখেন। শিপিং চার্জ ও কর সহ চূড়ান্ত অঙ্ক পেমেন্টের আগে স্পষ্ট দেখান।
- মুদ্রার চিহ্ন ও নাম দুটোই লিখুন।
- মুদ্রা বদলালে কার্টের অঙ্ক সাথে সাথে হালনাগাদ হোক।
- রিফান্ড কোন মুদ্রায় হবে তা নীতিতে লিখুন।