বাংলাদেশের বহু মানুষের কাছে কার্ডের চেয়ে মোবাইল ওয়ালেট বেশি পরিচিত ও সহজ। আপনার ক্রেতা যদি বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট করতে না পারেন, তিনি হয়তো ক্যাশ অন ডেলিভারি বেছে নেবেন বা কেনাই বাদ দেবেন।
এই লেখায় দেখবেন কীভাবে ওয়ালেট পেমেন্ট সাইটে যুক্ত করবেন, কোন ভুলগুলো এড়াবেন এবং Uttra-কে কীভাবে কাজটি বলবেন।
বাংলাদেশে মোবাইল ওয়ালেট মানেই বিকাশ, নগদ ও রকেট। গেটওয়ের মাধ্যমে তিনটিই এক চেকআউটে যুক্ত করুন, ক্রেতাকে পরিষ্কার নির্দেশ দিন এবং প্রতিটি লেনদেনের আইডি অর্ডারের সাথে মিলিয়ে রাখুন।
দুটি পথ: গেটওয়ে বা সরাসরি মার্চেন্ট
প্রথম পথে SSLCommerz, ShurjoPay বা AamarPay-এর মতো গেটওয়ে একসাথে বিকাশ, নগদ, রকেট ও কার্ড দেয়। দ্বিতীয় পথে প্রতিটি ওয়ালেট কোম্পানির নিজস্ব মার্চেন্ট এপিআই নিতে হয়, যার জন্য আলাদা আবেদন ও যাচাই লাগে।
ছোট ও মাঝারি ব্যবসার জন্য সাধারণত গেটওয়ে সহজ, কারণ একটি ইন্টিগ্রেশনেই সব মাধ্যম মেলে। শর্ত ও ফি প্রদানকারীর সাইটে দেখে নিন।
চেকআউটে ক্রেতার অভিজ্ঞতা
ক্রেতা পেমেন্ট মাধ্যম বেছে নেওয়ার পর সাধারণত ওয়ালেটের পেজে গিয়ে নম্বর, ওটিপি ও পিন দেন। এই ধাপগুলো যত কম বিভ্রান্তিকর হবে, ড্রপ-অফ তত কম।
- মাধ্যমের লোগো স্পষ্ট দেখান যাতে ক্রেতা চিনতে পারেন।
- ব্যর্থ হলে আবার চেষ্টা বা অন্য মাধ্যম বেছে নেওয়ার সহজ লিংক দিন।
- অর্ডারের মোট অঙ্ক ওয়ালেট পেজে যাওয়ার আগেই পরিষ্কার দেখান।
- পেমেন্টের পর লেনদেন আইডিসহ নিশ্চিতকরণ দেখান ও পাঠান।
হিসাব মেলানো ও ভুল এড়ানো
প্রতিটি অর্ডারের সাথে গেটওয়ের লেনদেন আইডি সংরক্ষণ করুন। দিন শেষে গেটওয়ের রিপোর্ট ও আপনার অর্ডারের তালিকা মিলিয়ে দেখলে ডবল পেমেন্ট বা আটকে থাকা অর্ডার সহজে ধরা পড়ে।
ওয়েবহুক বা কলব্যাক ঠিকমতো না চললে ক্রেতার টাকা কাটলেও অর্ডার পেইড দেখাবে না। তাই সার্ভার থেকে সার্ভারে নিশ্চিতকরণ যাচাই করার ব্যবস্থা রাখুন, শুধু ব্রাউজারের রিডাইরেক্টের ওপর ভরসা করবেন না।
নিরাপত্তা ও আস্থা
ক্রেতাদের পিন বা ওটিপি কখনো আপনার সাইটে চাইবেন না। এসব কেবল ওয়ালেট বা গেটওয়ের নিজস্ব পেজে দেওয়া হবে। সাইটে স্পষ্ট লিখুন কোন মাধ্যমে পেমেন্ট নেন এবং সমস্যা হলে কোথায় যোগাযোগ করবেন।