ফেসবুক বা গুগলে বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ করে ভিজিটর এনে যদি তাদের সাধারণ হোম পেজে পাঠান, তাহলে বেশিরভাগ ফিরে যান। ল্যান্ডিং পেজের কাজ একটাই, বিজ্ঞাপন যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা পূর্ণ করে একটি পদক্ষেপে নিয়ে যাওয়া।
বাংলাদেশে বেশিরভাগ ভিজিটর মোবাইলে আসেন, তাই পেজ মোবাইল ধরেই ভাবা উচিত।
বিজ্ঞাপনের ল্যান্ডিং পেজে একটিই লক্ষ্য রাখুন: বিজ্ঞাপনের প্রতিশ্রুতির সাথে মিলিয়ে শিরোনাম লিখুন, উপকার ও প্রমাণ দেখান এবং একটি স্পষ্ট বাটন দিন। মেনু ও বাড়তি লিংক সরিয়ে মোবাইলে দ্রুত লোড হওয়া নিশ্চিত করুন।
বিজ্ঞাপনের সাথে মিল রাখুন
বিজ্ঞাপনে যে পণ্য, দাম বা অফারের কথা বলা হয়েছে, ঠিক সেটিই পেজের শুরুতে দেখান। বিজ্ঞাপন দেখে আসা মানুষ অন্য কিছু দেখলে সাথে সাথে চলে যান।
- শিরোনামে বিজ্ঞাপনের একই শব্দ ও প্রতিশ্রুতি।
- একই ছবি বা রঙ, যাতে ক্রেতা বুঝতে পারেন সঠিক জায়গায় এসেছেন।
- অফারের মেয়াদ থাকলে তা স্পষ্ট করুন।
পেজের গঠন
উপরের অংশে শিরোনাম, এক লাইনের ব্যাখ্যা, আকর্ষণীয় ছবি ও প্রধান বাটন রাখুন। তার নিচে তিন-চারটি উপকার, ক্রেতার রিভিউ, প্রশ্নোত্তর এবং আবার বাটন দিন।
মেনু ও অন্য পেজের লিংক সরিয়ে দিন, কারণ প্রতিটি বাড়তি লিংক ভিজিটরকে মূল লক্ষ্য থেকে সরায়। পেজ ছোট ও সরল রাখুন।
বিশ্বাস ও পেমেন্ট
ক্রেতা অচেনা বিজ্ঞাপন থেকে এলে সন্দেহ থাকে। আসল রিভিউ, ডেলিভারির সময়, ফেরতের নীতি ও যোগাযোগের নম্বর দেখান। পেমেন্টে ক্যাশ অন ডেলিভারি, বিকাশ ও কার্ড রাখলে বেশি ক্রেতা অর্ডার সম্পূর্ণ করেন।
- অর্ডার ফর্ম ছোট রাখুন: নাম, ফোন, ঠিকানা।
- ফোন নম্বর ও হোয়াটসঅ্যাপ বাটন দিন।
- বাড়তি খরচ ও ডেলিভারি চার্জ আগে দেখান।
গতি ও পরীক্ষা
ছবি ছোট করে মোবাইলে পেজ দ্রুত লোড করুন, কারণ ধীর পেজে বিজ্ঞাপনের টাকা নষ্ট হয়। একসাথে একটি জিনিস বদলে পরীক্ষা করুন, যেমন শিরোনাম বা বাটনের লেখা, এবং কোনটিতে বেশি অর্ডার আসে তা দেখুন। বিজ্ঞাপনের খরচ ও অর্ডারের সংখ্যা মিলিয়ে প্রতি অর্ডারের খরচ হিসাব করুন।