মূল বিষয়বস্তুতে যান
সব গাইড
ধাপে ধাপে6 মিনিট পড়া

শুধু সাবস্ক্রাইবারদের জন্য মেম্বারশিপ সাইট কীভাবে বানাব?

চ্যাটে মেম্বার-অনলি সাইট বানান: সাইন-আপ, লগইন, সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান, সুরক্ষিত কনটেন্ট, প্রিভিউ ও পাবলিশ।

অনলাইন কোর্স, রেসিপি ক্লাব, কোচিং, স্টাডি নোট বা প্রিমিয়াম নিউজলেটার: সবগুলোর মূল কথা এক, কিছু কনটেন্ট সবার জন্য খোলা আর বাকিটা শুধু সদস্যদের জন্য। বাংলাদেশে অনেকে ফেসবুক গ্রুপে এটা চালান, কিন্তু সেখানে কনটেন্ট হারিয়ে যায়, গুছিয়ে রাখা কঠিন আর নিয়ন্ত্রণও আপনার হাতে থাকে না।

নিজের মেম্বারশিপ সাইটে সবকিছু সাজানো থাকে, মেম্বার লগইন করে নিজের জায়গায় ঢোকে এবং আপনি জানেন কে কোন প্ল্যানে আছে। এটি চ্যাটে বর্ণনা করেই বানানো যায়।

কোন কনটেন্ট ফ্রি আর কোনটি শুধু মেম্বারদের জন্য তা ঠিক করুন, সাইন-আপ ও লগইনসহ প্ল্যান বর্ণনা করে Uttra-কে সাইট বানাতে বলুন, প্রিভিউতে সুরক্ষিত পেজ পরীক্ষা করুন, তারপর পাবলিশ করুন।

কনটেন্ট আর প্ল্যান ঠিক করুন

বানানোর আগে কাগজে লিখে নিন কে কী পাবে।

  • ফ্রি অংশ: সূচিপত্র, নমুনা পাঠ বা কয়েকটি লেখা, যা দেখে মানুষ আগ্রহী হবে।
  • মেম্বার অংশ: পূর্ণ ভিডিও, পিডিএফ, লাইভ ক্লাসের রেকর্ডিং বা বিশেষ লেখা।
  • প্ল্যান: যেমন মাসিক ও বার্ষিক, অথবা বেসিক ও প্রিমিয়াম। দাম আপনি ঠিক করবেন, প্রথমে নমুনা দাম বসিয়ে রাখা যায়।
  • মেয়াদ শেষ হলে কী হবে: অ্যাক্সেস বন্ধ, নাকি শুধু আগের কনটেন্ট দেখা যাবে।

প্রম্পট দিন

পেজ, প্ল্যান ও সুরক্ষিত অংশের কথা একসাথে বলুন:

  • “বাংলায় একটি মেম্বারশিপ সাইট বানাও, যেখানে আমি রান্নার কোর্স বিক্রি করব। হোমপেজে কোর্সের পরিচিতি, নমুনা ভিডিও ও দুটি প্ল্যান থাকবে: মাসিক ও বার্ষিক। ইমেইল দিয়ে সাইন-আপ ও লগইন থাকবে। লগইন না করলে পাঠের পেজ খোলা যাবে না। মেম্বারের ড্যাশবোর্ডে তার প্ল্যান, মেয়াদ ও পাঠের তালিকা দেখাবে। আমার জন্য আলাদা অ্যাডমিন পেজে মেম্বারের তালিকা ও নতুন পাঠ যোগ করার ব্যবস্থা থাকবে। মোবাইলে সুন্দরভাবে চলবে।”

প্রিভিউতে সুরক্ষা পরীক্ষা করুন

লগআউট অবস্থায় সরাসরি কোনো পাঠের লিংক খুলে দেখুন, সেটি আটকে লগইন পেজে নিয়ে যাচ্ছে কি না। তারপর একটি পরীক্ষামূলক মেম্বার তৈরি করে ঢুকুন। ভুল পাসওয়ার্ড, এক প্ল্যানের মেম্বার অন্য প্ল্যানের কনটেন্ট খুলতে পারে কি না, সবই দেখে নিন।

ভিডিও শেয়ার হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে। কেউ লিংক আরেকজনকে পাঠালেও যেন লগইন ছাড়া না খোলে, সেটা নিশ্চিত করুন, আর বিষয়টি প্রম্পটে স্পষ্ট বলুন।

পেমেন্ট নিয়ে সৎ থাকুন

অনলাইনে অটোমেটিক পেমেন্ট নিতে হলে পেমেন্ট সেবার সাথে আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট ও কী লাগবে। বাংলাদেশে বিকাশ, নগদ বা কার্ড গেটওয়ের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে সময় লাগতে পারে। শুরুতে হাতে-যাচাই করা পদ্ধতিও চলে: মেম্বার বিকাশে টাকা পাঠিয়ে ট্রানজ্যাকশন আইডি দেয়, আপনি যাচাই করে অ্যাক্সেস চালু করেন।

যে পদ্ধতিই নিন, মেম্বারকে আগেই জানান কত টাকা, কতদিনের জন্য, আর ফেরত দেওয়ার নিয়ম কী।

পাবলিশ করুন ও মেম্বার আনুন

পাবলিশ করে নিজের ডোমেইন যুক্ত করুন। ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে ফ্রি নমুনা পাঠ ও সাইটের লিংক দিন। প্রথম কয়েকজন মেম্বারের মতামত নিয়ে পাঠের সাজানো, পেজের লেখা বা প্ল্যান বদলে নিন।

পরে যোগ করতে পারেন সার্টিফিকেট পেজ, মন্তব্যের জায়গা বা মেয়াদ শেষের আগে মনে করিয়ে দেওয়ার ইমেইল।

সাধারণ প্রশ্ন

অনলাইন পেমেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট সেবার মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ও কী লাগে। শুরুতে মেম্বার টাকা পাঠিয়ে ট্রানজ্যাকশন আইডি জমা দিলে আপনি যাচাই করে অ্যাক্সেস দিতে পারেন।

পুরোপুরি যায় না। তবে লগইন ছাড়া পেজ বন্ধ রাখলে এবং মূল্যবান কনটেন্ট শুধু মেম্বারদের পেজে রাখলে ঝুঁকি অনেক কমে।

হ্যাঁ। চ্যাটে বললেই প্ল্যান যোগ, দাম বা বিবরণ বদলানো যায়। আগের মেম্বারদের জন্য কী নিয়ম হবে সেটা আগেই ঠিক করে রাখুন।

নিজের প্রকল্পে পরখ করুন

নিজের ভাষায় বলুন কী চান আর দেখুন আপনার সাইট বা সিস্টেম তৈরি হচ্ছে — তারপর কথা বলে বদলান।

ফ্রি শুরু করুন