বাংলাদেশে অনেক ব্যবসা ফেসবুক পেজ ও মেসেঞ্জার থেকেই শুরু হয়। সমস্যা হলো ক্রেতা বিকাশে টাকা পাঠিয়ে স্ক্রিনশট দেন, আর আপনাকে হাতে মিলিয়ে নিতে হয়। পেমেন্ট লিংক এই কাজ সহজ করে।
এটি পূর্ণ ওয়েবসাইটের বিকল্প নয়, কিন্তু যাচাই করার জন্য দ্রুত ও কম খরচের শুরু।
পূর্ণ ওয়েবসাইট ছাড়াই গেটওয়ের পেমেন্ট লিংক দিয়ে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জারে বিক্রি শুরু করা যায়। বিক্রি বাড়লে সেই লিংকগুলোকে একটি সাধারণ স্টোরে রূপ দিন।
পেমেন্ট লিংক কী
পেমেন্ট লিংক হলো গেটওয়ের তৈরি একটি ওয়েব ঠিকানা, যেখানে নির্দিষ্ট অঙ্ক ও বিবরণ দেওয়া থাকে। ক্রেতা লিংকে ঢুকে বিকাশ, নগদ বা কার্ডে পরিশোধ করেন, আর আপনি স্বয়ংক্রিয় নিশ্চিতকরণ পান।
- মেসেঞ্জার বা হোয়াটসঅ্যাপে সরাসরি পাঠানো যায়।
- প্রতিটি লিংকের লেনদেন আলাদা করে ট্র্যাক করা যায়।
- স্ক্রিনশট মিলিয়ে দেখার ঝামেলা থাকে না।
শুরু করার ধাপ
গেটওয়ে বা ওয়ালেট কোম্পানির মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের জন্য আবেদন করুন। কাগজপত্র ও যাচাইয়ের নিয়ম প্রদানকারী ভেদে আলাদা, তাই তাদের সাইটে দেখে নিন।
অ্যাকাউন্ট চালু হলে ড্যাশবোর্ড থেকে অঙ্ক ও বিবরণ দিয়ে লিংক বানান এবং নিজে একবার পরীক্ষা করে নিন।
বিক্রির প্রবাহ সাজান
ক্রেতা অর্ডার নিশ্চিত করলে আপনি পণ্য, দাম ও ডেলিভারি চার্জসহ মোট অঙ্কের লিংক পাঠান। পেমেন্ট এলে ঠিকানা নিয়ে কুরিয়ারে পাঠান এবং ট্র্যাকিং নম্বর জানান।
- লিংকে মেয়াদ রাখুন যাতে পুরোনো দামে কেউ কিনতে না পারে।
- অর্ডারের একটি সরল তালিকা রাখুন, যেমন স্প্রেডশিট।
- পেমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার আগে পণ্য পাঠাবেন না।
কখন ওয়েবসাইটে যাবেন
প্রতিদিন যদি দশের বেশি অর্ডার সামলাতে সময় চলে যায়, বা ক্রেতারা বারবার পণ্যের তালিকা ও স্টক জানতে চান, তখন একটি সরল অনলাইন স্টোর দরকার। Uttra দিয়ে পণ্যের তালিকা, কার্ট ও চেকআউটসহ স্টোর বানিয়ে একই গেটওয়ে যুক্ত করতে পারবেন।