বেশিরভাগ মানুষ ফোনে রেস্টুরেন্ট খোঁজেন, আর মেনু ঝাপসা পিডিএফ হলে বা সময় ভুল থাকলে সঙ্গে সঙ্গে অন্যত্র চলে যান। পরিষ্কার মেনু ও স্পষ্ট অর্ডার বোতামওয়ালা ওয়েবসাইট যেকোনো সোশ্যাল পোস্টের চেয়ে বেশি কাজ করে।
Uttra-তে আপনি চ্যাটে রেস্টুরেন্টের বর্ণনা দেন, লাইভ দেখেন এবং চ্যাটে বদলান। এই গাইডে কী চাইবেন ও কী যাচাই করবেন তা দেখানো হয়েছে।
খাবারের নাম, দাম ও ছবি লিখুন, অর্ডার কীভাবে আপনার কাছে পৌঁছাবে তা ঠিক করুন (হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জার সবচেয়ে সহজ শুরু), ফোনে প্রিভিউ দেখুন এবং পাবলিশ করুন। অর্ডার আসা শুরু হলে অনলাইন পেমেন্ট পরে যোগ করুন।
আগে কনটেন্ট গুছিয়ে নিন
ওয়েবসাইট ততটাই ভালো হবে, যতটা ভালো তার কনটেন্ট। শুরুর আগে এগুলো তৈরি রাখুন, যাতে প্রথম সংস্করণই প্রায় চূড়ান্ত হয়।
- খাবারের নাম, সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও টাকায় দাম, ক্যাটাগরি অনুযায়ী।
- প্রতিটি বিশেষ আইটেমের একটি ভালো ছবি; অন্ধকার ছবির চেয়ে ছবি না দেওয়াই ভালো।
- খোলার সময়, ঠিকানা, ম্যাপ লিংক, ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর।
- হালাল বা অ্যালার্জির তথ্য, যদি অতিথিদের জন্য জরুরি হয়।
পেস্ট করার মতো প্রম্পট
প্রযুক্তি নয়, অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিন:
- "চট্টগ্রামে বিরিয়ানি ও কাবাবের রেস্টুরেন্টের জন্য বাংলা ও ইংরেজি ওয়েবসাইট বানাও। হোম পেজে বড় ছবি, আজকের খোলার সময় ও হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডারের বোতাম। মেনু পেজে ক্যাটাগরি (স্টার্টার, বিরিয়ানি, কাবাব, পানীয়) এবং প্রতিটি খাবারের ছবি, বিবরণ ও টাকায় দাম। গ্রাহক খাবার ঝুড়িতে তুলে নাম ও ঠিকানাসহ অর্ডার আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে পারবেন। পেমেন্ট ক্যাশ অন ডেলিভারি বা বিকাশ। যোগাযোগ পেজে ম্যাপ। উষ্ণ রং, মোবাইল আগে।"
প্রিভিউতে খুঁটিনাটি যাচাই করুন
ফোনে খুলে নিজেই একটি অর্ডার দিন। রেস্টুরেন্ট ছোট ছোট ভুলে বিক্রি হারায়, তাই এখনই সেগুলো ধরে ফেলুন।
- ঝুড়িতে যোগফল ঠিক হয়।
- হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পরিষ্কার পড়া যায়, তাতে আইটেম, পরিমাণ ও মোট টাকা থাকে।
- ছবি দ্রুত লোড হয় এবং সবগুলোর আকার এক থাকে।
- সময় বাস্তবের সঙ্গে মেলে, ছুটি ও রমজানের পরিবর্তনসহ।
- মেনু এক হাতের বুড়ো আঙুলে সহজে স্ক্রল হয়।
পাবলিশ করুন ও মানুষের কাছে পৌঁছান
পাবলিশ করে রেস্টুরেন্টের নামে ডোমেইন যুক্ত করুন। লিংকটি গুগল বিজনেস, ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রাম ও ডেলিভারি অ্যাপের প্রোফাইলে দিন, আর টেবিল ও প্যাকেজিংয়ে কিউআর কোড রাখুন, যাতে নিয়মিত গ্রাহক সরাসরি অর্ডার করেন এবং ডেলিভারি অ্যাপের কমিশন বাঁচে।
পরবর্তী উন্নতি
অর্ডার আসতে থাকলে টেবিল বুকিং, অফারের ব্যানার, প্রতিদিনের স্পেশাল বা আপনার পরিচিত কোনো গেটওয়ের মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট চান। বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট নিতে সংশ্লিষ্ট সেবার মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাগবে। দাম চ্যাটে বদলান, যাতে মেনু কখনো পুরোনো না হয়।